More

    আবারো বোমা বিস্ফোরণ কাবুল বিমানবন্দরে

    প্রভাতি সংবাদ ডেস্ক:

    তিনদিনের মাথায় আবারো বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল কাবুল বিমানবন্দর। রবিবার বিকেলে বিমানবন্দরের একেবারে কাছে বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, নিহত হয়েছেন ২ জন ও জখম হয়েছেন ৩ জন।

    তবে বিস্ফোরণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। দুর্ঘটনা ঘিরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে প্রবল। এদিন দুপুরে কাবুল বিমানবন্দর ছেড়ে ন্যাটোর শেষ বিমানটি উড়ে যাওয়ার পরই বিমানবন্দর সিল করে দেয় তালিবান বাহিনী। যাতে কেউ সেখানে ঢুকতে না পারে, তার জন্য বিমানবন্দরগামী সমস্ত রাস্তাও আটকানো হয়। আর ঠিক তার পরপরই এই বিস্ফোরণ।

    আফগানিস্তানে তালিবান তান্ডবের মাঝে বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই জোড়া বিস্ফোরণ ঘটেছিল কাবুল বিমানবন্দরে। ধারাবাহিক বিস্ফোরণে দেড় শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়। সেই স্মৃতি এখনও টাটকা। এর মাঝে রবিবার সকালে ফের আশঙ্কার কথা শুনিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। আগামী ২৪ থেকে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে ফের কাবুল বিমানবন্দরে বড়সড় হামলা হতে পারে। তাই আমেরিকান নাগরিকদের বিমানবন্দর ও তৎসংলগ্ন এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট।

    কয়েকঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বাইডেনের আশঙ্কা সত্যি হল। বিমানবন্দর লাগোয়া এলাকা কেঁপে উঠল বিস্ফোরণে। সূত্রের খবর, মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে রকেটে হামলা চালায় আইএসকে (খোরাসান)। খোয়াজা বুগরার একটি বাড়ি লক্ষ্য করে রকেট হামলা চলে বলে সংবাদসংস্থা এএফপির জানায়। এই বাড়িতে কয়েকজন মার্কিন নাগরিক ছিলেন বলে প্রাথমিক অনুমান। এর আগেরবারের বিস্ফোরণে ১৩ জন মার্কিন সেনার মৃত্যু হয়েছিল।

    এবারও তালিবান বোঝাল, তাদের মূল টার্গেট আসলে আমেরিকানরা। ঘটনার কিছুক্ষণ পর হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস জঙ্গিবাহিনী।

    © এই নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
    / month
    placeholder text

    সর্বশেষ

    রাজনীাত

    বিএনপি চেয়ারপারসনের জন্য বিদেশে হাসপাতাল খোজা হচ্ছে

    প্রভাতী সংবাদ ডেস্ক: বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্যে আবেদন করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার পরিবারের সদস্যরা মনে করেন আবেদনে সরকারের দিক থেকে ইতিবাচক...

    আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশ

    আরো পড়ুন

    Leave a reply

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    spot_imgspot_img